ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শাহরাস্তিতে গলায় ফাঁস দিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যা! শাহরাস্তি পৌর ছাত্রদলের উদ্যোগে ফুট সেল ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত শাহরাস্তিতে ইউএনওর স্বাক্ষর জালিয়াতি: কর্মচারীকে বরখাস্ত, সহযোগী সায়েমকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা নাটোর বাগাতিপাড়ায় গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হলেন স্বপ্না রানী ও আয়েশা আক্তার অজ্ঞান পার্টির মূলহোতা ফুল মিয়া নিজের জুস নিজেই পান করে অচেতন শাহরাস্তিতে জুলাই আন্দোলনে আহতদের গেজেটে ভুয়া নাম অন্তর্ভুক্তির ছড়াছড়ি শাহরাস্তিতে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা পেল ২’ শতাধিক রোগী যুবনেতা জুবায়েরের উদ্দ্যোগে শাহরাস্তিতে বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনে দোয়ার আয়োজন  সাংবাদিক তুহিনের হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবিতে শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের মানব বন্ধন তারেক রহমান বৈষম্যহীন দেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন … … ব্যারিষ্টার কামাল উদ্দিন

ভুল এনআইডি সংশোধনে ভোগান্তিতে গ্ৰাহক ও নির্বাচন অফিস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১২:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫ ২৬০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি: জন্মনিবন্ধন, সার্টিফিকেট ও তথ্য সংগ্রহকারীর তথ্যের একটির সাথে অন্যটির মিল নেই। এমনকি জন্মনিবন্ধন ও সার্টিফিকেটের সাথে রয়েছে বেশ গরমিল। তথ্য সংগ্রহকারীর তথ্যের সাথে জন্মনিবন্ধন ও সার্টিফিকেটের নামেও রয়েছে অনেক ফারাক। কি তথ্য সংগ্রহ করছেন তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপার ভাইজার এখন এটাই প্রশ্ন চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার।

জানা গেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য ২৫ জানুয়ারি থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে। ৬ মার্চ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত শাহরাস্তিতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে ছবি তোলা হয় ইতিমধ্যে সবাই ভোটার তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন ২৫ জুন থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত পুনরায় ভুল সংশোধনের জন্য নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। ভুল সংশোধন করতে গিয়ে ভেসে উঠে ব্যাপক গরমিল।

উপজেলার কেশরাঙ্গা গ্রামের মো. আবুল হোসেনের মেয়ে সাকিবা আক্তার তিশা জন্মনিবন্ধনে ২০০৬ সাল উল্লেখ থাকলেও তার সার্টিফিকেটে রয়েছে ২০০৭ সাল। তথ্য সংগ্রহকারী জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী তাকে ভোটার তালিকায় লিপিবদ্ধ করলেও তিশা সার্টিফিকেট নিয়ে পড়তে হবে ভোগান্তিতে। নরিংপুর গ্রামের নুরুল আমিনের ছেলে নাহিদ চৌধুরী তার জন্মনিবন্ধনে নাম দিয়েছেন শুধু নাহিদ। পৌর এলাকার সাহিদুল ইসলামের কোথাও ইংরেজি বানানের মিল নেই। ১০ জুলাই পর্যন্ত পুনরায় সংশোধনে প্রায় ১০ হাজার আবেদন যাচাই-বাছাই করা হবে। এরমধ্যে প্রায় ৬ শতাধিক ভুল শনাক্ত করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ পারভেজ জানান, তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপার ভাইজারদের গাফিলতির কারণে এমনটি হয়েছে। ওনারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে এমনটা হতো না। আমরা যতটুকু সম্ভব সংশোধন করে দিচ্ছি কিন্তু জন্মনিবন্ধন ও সার্টিফিকেট সংশোধনের ক্ষমতা আমাদের নেই। সচেতন মহল মনে করেন, এসব এনআইডি নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভুল এনআইডি সংশোধনে ভোগান্তিতে গ্ৰাহক ও নির্বাচন অফিস

আপডেট সময় : ০৯:১২:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি: জন্মনিবন্ধন, সার্টিফিকেট ও তথ্য সংগ্রহকারীর তথ্যের একটির সাথে অন্যটির মিল নেই। এমনকি জন্মনিবন্ধন ও সার্টিফিকেটের সাথে রয়েছে বেশ গরমিল। তথ্য সংগ্রহকারীর তথ্যের সাথে জন্মনিবন্ধন ও সার্টিফিকেটের নামেও রয়েছে অনেক ফারাক। কি তথ্য সংগ্রহ করছেন তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপার ভাইজার এখন এটাই প্রশ্ন চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার।

জানা গেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য ২৫ জানুয়ারি থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে। ৬ মার্চ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত শাহরাস্তিতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে ছবি তোলা হয় ইতিমধ্যে সবাই ভোটার তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন ২৫ জুন থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত পুনরায় ভুল সংশোধনের জন্য নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। ভুল সংশোধন করতে গিয়ে ভেসে উঠে ব্যাপক গরমিল।

উপজেলার কেশরাঙ্গা গ্রামের মো. আবুল হোসেনের মেয়ে সাকিবা আক্তার তিশা জন্মনিবন্ধনে ২০০৬ সাল উল্লেখ থাকলেও তার সার্টিফিকেটে রয়েছে ২০০৭ সাল। তথ্য সংগ্রহকারী জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী তাকে ভোটার তালিকায় লিপিবদ্ধ করলেও তিশা সার্টিফিকেট নিয়ে পড়তে হবে ভোগান্তিতে। নরিংপুর গ্রামের নুরুল আমিনের ছেলে নাহিদ চৌধুরী তার জন্মনিবন্ধনে নাম দিয়েছেন শুধু নাহিদ। পৌর এলাকার সাহিদুল ইসলামের কোথাও ইংরেজি বানানের মিল নেই। ১০ জুলাই পর্যন্ত পুনরায় সংশোধনে প্রায় ১০ হাজার আবেদন যাচাই-বাছাই করা হবে। এরমধ্যে প্রায় ৬ শতাধিক ভুল শনাক্ত করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ পারভেজ জানান, তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপার ভাইজারদের গাফিলতির কারণে এমনটি হয়েছে। ওনারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে এমনটা হতো না। আমরা যতটুকু সম্ভব সংশোধন করে দিচ্ছি কিন্তু জন্মনিবন্ধন ও সার্টিফিকেট সংশোধনের ক্ষমতা আমাদের নেই। সচেতন মহল মনে করেন, এসব এনআইডি নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হবে।